মেহেরপুরে পর্নোগ্রাফী মামলায় ৩ বছরের কারাদন্ড

মুজিবনগর নিউজ ২৪ কম : জোর পূর্বক স্কুল ছাত্রীকে নগ্ন করে ছবি তোলার অপরাধে সজিব, রনি ইসলাম, আহাম্মদ নামের ৩ শিশুকে পর্নোগ্রাফী নিয়ন্ত্রন আইন ২০১২ এর ৮ (২) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে শিশু আইন ২০১৩ এর ৩৪ (১) ধারায় ৩ বছরের আটকাদেশ এবং শামীম হোসেন নামের অপর এক যুবককে ৩ বছরের সশ্রম কারাদন্ড, ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ১ বছরের কারাদন্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার দুপুরে মেহেরপুর শিশু আদালত ও অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোঃ নুরুল ইসলাম এ রায় দেন। সাজাপ্রাপ্ত সজিব গাংনী উপজেলার কাথুলী গ্রামের মিজারুল ইসলামের ছেলে, রনি ইসলাম আসাদুলের ছেলে, আহাম্মদ মোঃ করিমের ছেলে এবং শামীম হোসেন একই গ্রামের ফজলুর ছেলে।

মামলার বিবরনে জানাগেছে ২০১৬ সালের ১৩ অক্টোবর মেহেরপুর গাংনী উপজেলার ধলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেনীর ছাত্রী বিপাশা খাতুন স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে পথিমধ্যে ৪-৩ জনের একদল শিশু তাকে জোরপূর্বক একটি বাঁশ বাগানে নিয়ে তার পরনের কামিজ খুলে মোবাইলে ভিডিও ও ষ্টিল ছবি তোলে। পরে ছবি এবং ভিডিও কাথূলী বাজারে শামীম মোবাইল হাউজ এন্ড সাভিসিং সেন্টার থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যামে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে দেয়। এঘটনায় মেয়ের পিতা বাদী হয়ে পর্নোগ্রাফি আইন ২০১২ এর ৮ (২) (৭) ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার শিশু কেস নং ৩/২০১৭, জি আর, কেস নং ৩০৩/১৬। পরে মামলার তদন্ত কারী কর্মকর্তা মামলার প্রাথমিক তদন্ত শেষ করে ২০১৬ সালের ২ নভেম্বর চার্জশীট দাখিন করেন।

মামলায় মোট ৯ জন তাদের সাক্ষ দেন। এতে আসামী সজিব, রনি ও আহাম্মদ পর্নোগ্রফি নিয়ন্ত্রন আইনে ৩ বছরের আটকাদেশ এবং শামীমের বয়ষ ১৮ বছরের উপরে হওয়ায় প্রর্নোগ্রফি নিয়ন্ত্রন আইন ২০১২ এর ৮ (৭) ধারায় তাকে ৩ বছরের সশ্রম কারাদন্ড, ২০ জাহার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ১ বছরের কারাদন্ডাদেশ দেন। মামলায় রাষ্ট পক্ষে অতিরিক্ত পিপি কাজী শহীদ এবং অঅসামীদের পক্ষে এ্যাড. খন্কার একরামুল হক হীরা কৌসুলী ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *